বগুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে দিন দিন বেড়ে চলা সন্ত্রাস ও সহিংসতায় চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বিশেষ করে জেলার গাবতলী উপজেলার ধলির চর গ্রামে এক তথাকথিত মাস্তানের দৌরাত্ম্যে পুরো এলাকা যেন আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধারালো অস্ত্রের মহড়া ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসছেন।.
.
গ্রামবাসীরা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই এলাকায় নেমে আসে এক অদৃশ্য ভয়ের ছায়া। সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে চলাচল করতে পারছেন না, কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। প্রতিবাদ করলে হামলা কিংবা ক্ষতির আশঙ্কায় অনেকেই চুপ থাকাকে বেছে নিচ্ছেন। ফলে পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে।.
.
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি ও দ্রুত পদক্ষেপের অভাবেই এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। একজন ব্যক্তি কীভাবে পুরো একটি গ্রামকে জিম্মি করে রাখতে পারে—এ প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।.
.
এ বিষয়ে বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি গণেশ দাস তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, গ্রামীণ জনপদে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে। নীরবতা বা উদাসীনতা এ ধরনের অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।.
.
তিনি আরও বলেন, এখনই সময় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার। অন্যথায় এর প্রভাব আরও বিস্তৃত হয়ে পুরো সমাজকে গ্রাস করতে পারে।.
.
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। বগুড়ার মাটিতে আতঙ্ক নয়, শান্তি ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরে পাওয়াই এখন এলাকাবাসীর প্রধান প্রত্যাশা।.
.
তথ্য সূত্র: সাংবাদিক গণেশ দাস .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: