• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ১০ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

বিএনপি নেতার করা চাঁদাবাজি মামলায় বগুড়ার শাহজাহানপুর থানার সাবেক ওসি কারাগারে


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: সোমবার, ০৯ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৫:১৭ পিএম
বিএনপি নেতার করা চাঁদাবাজি মামলায় বগুড়ার শাহজাহানপুর থানার সাবেক ওসি কারাগারে
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি নেতার দায়ের করা চাঁদাবাজি মামলায় বগুড়ার শাহজাহানপুর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।.

 .

সোমবার (৯ মার্চ) বগুড়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতে হাজিরা দিতে এলে আদালতের বিচারক আবুহেনা সিদ্দিকী তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।.

 .

মামলার বাদী মোহাম্মদ ফজলুল হক উজ্জ্বল জানান, ২০১৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক ও শাহজাহানপুর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। .

 .

সেদিন তিনি খড়না থেকে আতাইল গ্রামে যাওয়ার পথে তৎকালীন শাহজাহানপুর থানার ওসি আলমগীর হোসেন তার গাড়ি ধাওয়া করে আটক করেন।.

 .

উজ্জ্বল অভিযোগ করেন, ওই সময় তাকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ক্রসফায়ার বা অস্ত্র মামলা দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।.

 .

তিনি বলেন, “ওই সময় আমার স্ত্রী ও সহকর্মী আনোয়ার হোসেন স্বপনের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও আমাকে ছেড়ে না দিয়ে অজ্ঞাত একটি মামলায় আসামি করে আদালতে চালান করা হয়।”.

 .

এ ঘটনায় দীর্ঘদিন পর গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তিনি আদালতে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেন শাহজাহানপুর সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।.

 .

চার্জশিটের ভিত্তিতে আদালত সমন জারি করলে সোমবার সাবেক ওসি আলমগীর হোসেন আদালতে হাজিরা দেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।.

 .

এ বিষয়ে আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম বলেন, “একটি সিআর মামলায় আদালতের সমনের প্রেক্ষিতে আলমগীর হোসেন হাজিরা দিতে এসেছিলেন। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতের বিচারক তাকে কাস্টরির নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে আদালত থেকে বগুড়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”.

 .

মামলার বাদী ফজলুল হক উজ্জ্বল বলেন, অতীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে কিছু পুলিশ কর্মকর্তা বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও চাঁদাবাজি করতেন। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এবং বলেন, এ ধরনের ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলে ভবিষ্যতে কেউ এমন অন্যায় করার সাহস পাবে না।. .

Ajker Bogura / তাহমিদ জাওয়াদ

আইন ও আদালত বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ