বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথার নব্বইয়ের দশকের একটি পুরোনো ছবি যেন ফিরিয়ে আনে শহরের ঐতিহ্য ও স্মৃতিবিজড়িত এক সময়কে। ছবির বাম পাশে থাকা ভবনটি ছিল মাধু মেট্রো সিনেমা হলের প্রবেশদ্বার। সময়ের পরিবর্তনে কবি নজরুল ইসলাম সড়ক সম্প্রসারণের সময় ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি ভেঙে ফেলা হয়।.
ছবির সামনের দিকে থাকা ভবনটি সমবায় ভবন, যা এখনো সাতমাথার পরিচিত স্থাপনাগুলোর একটি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। তবে এই ভবনের সামনে থাকা একসময়কার শিবা গুন্ডা প্যানা লাগানো ভবনগুলো বর্তমানে আর নেই; সড়ক সম্প্রসারণ ও নগর উন্নয়নের কারণে সেগুলোও হারিয়ে গেছে।.
স্থানীয়দের স্মৃতিতে এসব স্থাপনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানা ইতিহাস। শিবা গুন্ডার নিচের বারান্দাটি ছিল রাজনৈতিক ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নিয়মিত সভা-সমাবেশের পরিচিত মঞ্চ। বহু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সাক্ষী ছিল এই স্থান।.
বারান্দার পাশের দোকানটি ছিল ‘বিমান হোটেল’ নামে পরিচিত একটি ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকান। দীর্ঘদিন ধরে এটি ছিল শহরবাসীর পরিচিত আড্ডাস্থল ও স্মৃতির অংশ। সময়ের স্রোতে সাতমাথার চেহারা বদলেছে, হারিয়ে গেছে অনেক স্থাপনা; কিন্তু পুরোনো ছবি ও মানুষের স্মৃতিতে আজও জীবন্ত হয়ে আছে সেই সময়ের বগুড়া শহর।.
ছবি: করতোয়া ডিউক .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: