বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক বিশেষ ঘোষণায় দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘ঐতিহাসিক এবং শোচনীয় পরাজয়’ বরণ করেছে।.
.
৮ এপ্রিল ২০২৬ সালে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর তেহরানে ইরানি জনগণের বিজয় উল্লাস। .
.
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান তীব্র সামরিক উত্তেজনার মাঝে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। .
এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরপরই ইরান ও ইরাকের রাজধানী বাগদাদে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উল্লাস ও উৎসবের আমেজ দেখা গেছে।.
দুই দেশের এই যুদ্ধবিরতির প্রভাবে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির নিঃশ্বাস ও উল্লাস ছড়িয়ে পড়েছে। .
ইরান সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং মার্কিন বাহিনীর পাল্টাপাল্টি হামলায় ইরাক দীর্ঘ সময় ধরে এই যুদ্ধের সরাসরি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল।.
বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক বিশেষ ঘোষণায় দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র একটি 'ঐতিহাসিক এবং শোচনীয় পরাজয়' বরণ করেছে।.
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এই চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের বড় বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের দাবি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের শর্ত মেনেই শত্রুতা অবসানে সম্মত হয়েছেন।.
হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (৮ এপ্রিল) গ্রিনিচ মান সময় রাত ১২টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন। .
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রণালি না খুললে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে বিধ্বংসী হামলা চালানো হবে। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টা আগেই দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে।.
ইরানের পক্ষ থেকে বিজয় দাবি করা হলেও ওয়াশিংটন একে দেখছে সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিতে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক বিবৃতিতে বলেন, "আসল সত্য হলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমাদের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইরানকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে বাধ্য করেছে। এটিই আমাদের সফলতা এবং আগামীতে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।".
Ajker Bogura / Md Shourov Hossain
আপনার মতামত লিখুন: