২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় সাবেক ডিআইজি (তৎকালীন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার) আবদুল জলিল মণ্ডলকে প্রধান কুশীলব হিসেবে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।.
আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আবদুল জলিল মণ্ডলকে ট্রাইব্যুনাল কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর এমন দাবি করেন।.
আমিনুল ইসলাম বলেন, 'শাপলা চত্বরের ঘটনায় তখনকার রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তি জড়িত থাকলেও তদন্ত থেকে বাদ পড়বেন না। এ মামলার তদন্তকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিগগিরই ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল করতে পারব বলে আশা করছি।'.
আবদুল জলিল মণ্ডলের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'তার বিরুদ্ধে অনেক আগে থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। আমরা তাকে খুঁজছিলাম। অবশেষে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।'.
আগামী ৫ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, 'আগামী তারিখের মধ্যেই প্রতিবেদন দাখিল সাপেক্ষে আমরা ফরমাল চার্জ দাখিলের চেষ্টা করব। তবে খুব সহসা শাপলা চত্বরের মামলাটির বিচার শুরু করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছি, যেন ফরমাল চার্জ দাখিল সাপেক্ষে বিচারকার্য দ্রুত শুরু হয়।'.
আসামি আবদুল জলিলের ভূমিকা সম্পর্কে চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, 'শাপলা চত্বরের ঘটনায় সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকা ছিল অনেক। তার পরিকল্পনাতেই সব ঘটনা ঘটেছে; তদন্তে আমরা এমনই কিছু পেয়েছি। এ বিষয়ে আমরা আরও অনুসন্ধান করছি। আশা করছি আগামী তারিখের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেয়ে যাব।'.
উল্লেখ্য, এই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে তৎকালীন পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদও আসামি হিসেবে রয়েছেন।. .
Ajker Bogura / Md Shourov Hossain
আপনার মতামত লিখুন: