প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন সম্ভাবনা একেবারে নাকচ করে দেননি.
.
ইরানে এখন পর্যন্ত চালানো হামলায় যুক্তরাষ্ট্র মূলত বিমান ও নৌবাহিনীর ওপরই নির্ভর করছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে স্থল অভিযানের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন সম্ভাবনা একেবারে নাকচ করে দেননি।.
ট্রাম্পকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছিল, ইরানে কি মার্কিন স্থল সেনা মোতায়েন করা হতে পারে? জবাবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি 'কখনোই না বলবেন না'। তিনি আরও যোগ করেন, তার প্রশাসন প্রয়োজনে 'যা করা দরকার সব করবে'।.
বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, কেবল বিমান হামলা চালিয়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়। তেহরান বরাবরই দাবি করে আসছে যে তাদের এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।.
.
স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো ক্রিস্টোফার প্রিবল আল জাজিরাকে বলেন, 'কোনো দেশের পারমাণবিক সক্ষমতাকে আপনি পুরোপুরি ধ্বংস বা নির্মূল করতে পারবেন না। তাদের এটি আবারও গড়ে তোলার ক্ষমতা সব সময় থাকে।'.
তবে ট্রাম্পের লক্ষ্য যদি হয় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ধ্বংস করা কিংবা দেশটির সরকার পরিবর্তন করা—তবে স্থল সেনা মোতায়েনের চ্যালেঞ্জটি হবে অনেক বড়।.
প্রিবল আরও বলেন, '২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, ইরান তৎকালীন ইরাকের চেয়ে অন্তত তিন থেকে চার গুণ বড় একটি দেশ। ইরাককে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখার মতোই পর্যাপ্ত সৈন্য তখন যুক্তরাষ্ট্রের ছিল না। আর আজকের প্রেক্ষাপটে ইরানের মতো বিশাল একটি দেশকে বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা করার মতো বিপুল সংখ্যক সৈন্যও যুক্তরাষ্ট্রের নেই।'.
Ajker Bogura / Md Shourov Hossain
আপনার মতামত লিখুন: