সরকারের নতুন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি “ফ্যামিলি কার্ড” বিতরণ কার্যক্রম শিগগিরই পাইলট ভিত্তিতে শুরু হতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র রমজান মাসের মধ্যে বা ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রকল্প) ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলোকে সরাসরি সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে তারা খাদ্য, নগদ অর্থ বা অন্যান্য সামাজিক সুবিধা পেতে পারে।.
প্রাথমিকভাবে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিনিধিত্বমূলক আটটি উপজেলায় এই পাইলট প্রকল্প চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি বিভাগ থেকে একটি করে উপজেলা বাছাই করে পরীক্ষামূলকভাবে কার্ড বিতরণ করা হবে। তবে কোন কোন উপজেলা চূড়ান্তভাবে পাইলট প্রকল্পের আওতায় আসবে—সে বিষয়ে এখনো সরকারি গেজেট বা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বগুড়া, দিনাজপুরসহ কোনো নির্দিষ্ট উপজেলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য ছড়াচ্ছে, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।.
ফ্যামিলি কার্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে একটি একক ডাটাবেজের আওতায় এনে নিয়মিত সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা নিশ্চিত করা। সরকার জানিয়েছে, এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলো মাসিক নগদ সহায়তা, খাদ্য সহায়তা বা অন্যান্য ভর্তুকি সুবিধা পেতে পারে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে দেশের আরও পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।.
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাইলট প্রকল্প সফল হলে এটি জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে। এজন্য দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবার শনাক্তকরণ, ডিজিটাল নিবন্ধন এবং যাচাই-বাছাই কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
সুতরাং, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি শুরু হওয়ার বিষয়টি বাস্তব ও সরকারি পরিকল্পনার অংশ হলেও নির্দিষ্ট জেলা বা উপজেলার নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। সরকারিভাবে চূড়ান্ত ঘোষণা না আসা পর্যন্ত নির্দিষ্ট এলাকা উল্লেখ করে প্রচারিত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।.
তথ্যসূত্র:
সরকারি বিবৃতি ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্পর্কিত প্রতিবেদন (ক্যাবিনেট কমিটি ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুসারে)।.
Ajker Bogura / সামসিল আরিফিন
আপনার মতামত লিখুন: