রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় খতনা করাতে গিয়ে এক শিশুর গুরুতর শারীরিক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক ওষুধের দোকানিকে আটক করেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত খলিলুর রহমান কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা সনদ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে নিজ ফার্মেসিতে খতনা করিয়ে আসছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি ‘খলিল ডাক্তার’ নামে পরিচিত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি আসলে একজন ফার্মাসিস্ট, চিকিৎসক নন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ মার্চ ৯ বছর বয়সী এক শিশুর খতনা করাতে গিয়ে অবহেলার কারণে তার শরীরের সংবেদনশীল অংশে গুরুতর ক্ষতি হয়। ঘটনার পরপরই শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়া হলে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণে আসে, তবে তার স্বাভাবিক জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে পরিবারের দাবি।
শিশুটির দাদা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে। ঢাকা উদ্যান এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মোহাম্মদপুর থানা-র ওসি মেজবাহ উদ্দিন জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে, পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে—ঘটনার পর অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ করলে উল্টো হুমকি-ধামকির মুখে পড়তে হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত দাবি করেছেন, খতনার সময় শিশুটিকে ধরে রাখা পরিবারের একজন হাত ছেড়ে দিলে শিশুটি নড়াচড়া করে, আর তখনই দুর্ঘটনাটি ঘটে।.
বিশেষজ্ঞদের মতে, খতনার মতো সংবেদনশীল চিকিৎসা অবশ্যই প্রশিক্ষিত ও নিবন্ধিত চিকিৎসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে করানো উচিত, নইলে এমন ঝুঁকিপূর্ণ ঘটনা ঘটতে পারে।. .
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: