• ঢাকা
  • সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ১৬ ফেরুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

নির্বাচনে ৪৯.৯৭% ভোট পেয়ে শীর্ষে বিএনপি, ৩১.৭৬% ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে জামায়াত


Ajker Bogura ; প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৭:০৮ পিএম
নির্বাচনে ৪৯.৯৭% ভোট পেয়ে শীর্ষে বিএনপি, ৩১.৭৬% ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে জামায়াত

তবে, সব আসনে ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। জামায়াতে ইসলামীর একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করেছে ইসি। এছাড়া চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনে জয়ী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা থাকায় আসন দুটির ফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে।.

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলভিত্তিক প্রাপ্ত ভোটের হিসাব প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৪৯.৯৭ শতাংশ ভোট পেয়ে এককভাবে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জামায়াতে ইসলামী তাদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছে ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট।.

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের তৈরি দলভিত্তিক প্রাপ্ত ভোটের হার সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।.

ইসির প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে ৩.০৫ শতাংশ ভোট পেয়ে চমক দেখিয়েছে। অন্যদিকে, এইচ এম এরশাদের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টি ১৯৯টি আসনে লাঙ্গল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাদের ঝুলিতে পড়েছে মাত্র ০.৮৯ শতাংশ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সম্মিলিতভাবে ৫.৭৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।.

এর আগে ইসি জানিয়েছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন ভোটারের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী।.

তবে সব আসনে ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। জামায়াতে ইসলামীর একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করেছে ইসি। এছাড়া চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনে জয়ী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা থাকায় আসন দুটির ফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে।.

অন্যান্য দলের প্রাপ্ত ভোটের চিত্র:.

ইসির প্রতিবেদনে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের একটি বিস্তারিত চিত্র উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২.৭০ শতাংশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ২.০৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া উল্লেখযোগ্য দলগুলোর মধ্যে খেলাফত মজলিস ০.৭৬ শতাংশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ০.৪৭ শতাংশ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ০.৩৫ শতাংশ, গণঅধিকার পরিষদ ০.৩৩ শতাংশ এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ০.২৮ শতাংশ ভোট পেয়েছে।.

তালিকায় থাকা অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ০.১৭ শতাংশ, গণফোরাম ০.০১ শতাংশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ০.১৪ শতাংশ, গণসংহতি আন্দোলন ০.১৪ শতাংশ, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ ০.০৮ শতাংশ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ০.০৫ শতাংশ, জনতার দল ০.০৫ শতাংশ, জাতীয় পার্টি (জেপি) ০.০৪ শতাংশ, বাংলাদেশ নিজামে ইসলাম পার্টি ০.০৪ শতাংশ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ০.০৪ শতাংশ এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ০.০৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে।.

এছাড়া ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ (০.০৩%), জাকের পার্টি (০.০২%), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি (০.০২%), বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ (০.০২%), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি-বিআরপি (০.০২%) এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদী (০.০২%) ভোট পেয়েছে।.

নগণ্য ভোট পাওয়া দলগুলোর মধ্যে আমজনতার দল, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি প্রত্যেকেই ০.০১ শতাংশ করে ভোট পেয়েছে।.

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামিক ঐক্য, গণতন্ত্রী পার্টি, গণফ্রন্ট, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) কোনো ভোট পায়নি (০ শতাংশ)। এছাড়া বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএনএল এবং বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টিও (বিইপি) কোনো ভোট পায়নি বলে ইসির তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।. .

Ajker Bogura / Md Shourov Hossen

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ