.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উর্দু বিভাগে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও ফলাফল জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। ভাইভা বোর্ডে দ্বিতীয় স্থানে থাকা একজন যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে চতুর্থ স্থানে থাকা প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।.
জানা গেছে, গত বছর উর্দু বিভাগের তিনটি স্থায়ী প্রভাষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। লিখিত পরীক্ষায় ৪৩ জন প্রার্থী অংশ নেন। পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ছয়জনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য ১৮ জনকে মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হয়। ভাইভা বোর্ডে পারফরম্যান্স ও একাডেমিক যোগ্যতার ভিত্তিতে ছয়জনের একটি মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হয়।অভিযোগ অনুযায়ী, ওই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এ সালাম। তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। পরে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং দুটি স্বর্ণপদকও পান। তবুও চূড়ান্ত নিয়োগে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়।.
নিয়োগ বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. ইস্রাফিল দাবি করেন, বোর্ডের সম্মতিতে ছয়জনের তালিকা ঠিক করা হয়েছিল। পরে তিনজনকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে দেখা যায়, দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রার্থীর পরিবর্তে চতুর্থ স্থানে থাকা একজনের নাম যুক্ত করা হয়েছে। এতে তিনি আপত্তি জানান এবং চূড়ান্ত মেধাতালিকায় স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান।.
এ সালাম অভিযোগ করে বলেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ সদস্যের স্বাক্ষর ছাড়া সিন্ডিকেটে নিয়োগ অনুমোদন পাওয়াও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তিনি এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।.
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য সালেহ্ হাসান নকীব নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, অভিযোগ যে কেউ করতে পারে, তবে এতে অনিয়ম প্রমাণ হয় না।বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগটি আনুষ্ঠানিকভাবে পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।. .
Ajker Bogura / তারিন মোস্তারি
আপনার মতামত লিখুন: