মন্ত্রিসভায় শপথের ডাক পেলেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন.
.
.
বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথগ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০২৬ সালে তিনি পুনরায় চাঁদপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দলীয় ও সরকারি সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন।.
.
### পূর্ব অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক পরিচিতি.
.
আ ন ম এহসানুল হক মিলন ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণ, পাঠ্যক্রম সংস্কার এবং অবকাঠামো উন্নয়নে তার ভূমিকা আলোচিত ছিল।.
.
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবারের মতো চাঁদপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হন এবং সে নির্বাচনে তিনি মহিউদ্দীন খান আলমগীর-কে পরাজিত করেন।.
.
শিক্ষা ও পেশাগত জীবন.
.
১৯৫৭ সালের ২৬ মার্চ চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন মিলন। তিনি শের-ই-বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং গভর্নমেন্ট ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমানে সরকারি বিজ্ঞান কলেজ) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।.
.
১৯৮২ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং নিউ ইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। কর্মজীবনে তিনি ব্রুকলিন কলেজ ও বোরো অব ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ওষুধ শিল্পে রসায়নবিদ হিসেবেও কাজ করেন।.
.
পরবর্তীতে তিনি মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণার মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ভূমিকা।.
.
নতুন দায়িত্বের প্রত্যাশা.
.
দীর্ঘ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার আলোকে মিলনের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি দলীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতে তার পূর্ব অভিজ্ঞতা নতুন সরকারে নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।.
.
চাঁদপুর-১ আসনের জনগণও আশা করছেন, জাতীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি নিজ জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন। এখন অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক শপথ ও দপ্তর বণ্টনের প্রজ্ঞাপনের।.
.
Ajker Bogura / Arifin
আপনার মতামত লিখুন: