প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে এ আসন ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এই উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম।.
.
এবার আর আমজনতা দলের হয়ে নয়, জামায়াত বা এনসিপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘আমাকে মানুষ চেনে। বগুড়া-৬ আসনে আমার বাড়ি।.
.
যেহতু এই আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। তাই আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। তবে দল থেকে করতে চেষ্টা করছি। সেই হতে পারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অথবা ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টি (এনসিপি)-র হয়ে।’.
.
‘জামায়াত ও এনসিপিকে আমার ভালো লাগে। তাই আমি এই দুই দলের কাছে মনোনয়ন চাইবো। আমি আশা করছি দল দুটি; আমাকে প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করবে’, - যোগ করেন আলম।.
.
তবে মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই আবারও নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অতীতের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা থেকেই এবার আরও প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবো।’.
.
রাজনৈতিক অঙ্গনে ভিন্নধর্মী উপস্থিতির কারণে হিরো আলম বরাবরই আলোচনায় থাকেন। ২০২৩ সালে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে জামানত হারিয়ে ছিলেন হিরো আলম। এই উপনির্বাচনে হিরো আলম বগুড়া-৬ আসনে পাঁচ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে জামানত রক্ষার জন্য দরকার ছিল ১১ হাজার ৪৬৮ ভোট।. .
Ajker Bogura / তাহমিদ জাওয়াদ
আপনার মতামত লিখুন: