বিএনপি সঠিক পথেই এগুচ্ছে। বিএনপি চায় জুলাই গণ-আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এনসিপি বিএনপির জোটে আসুক। কিন্তু এনসিপি বিএনপির কাছে ২০ এর অধিক আসন চায়। বিএনপি ৫-৬ টি আসন এনসিপিকে দিতে চায়। আসলে এনসিপির ৫-৬ জন নেতার নির্বাচনে ফাইট করে জিতে আসার সম্ভবনা আছে। কিন্তু এককভাবে এনসিপি নির্বাচন করে কোন প্রার্থীর জয়ী হয়ে আসার সম্ভবনা ক্ষীণ। যেহেতু এনসিপি বিএনপির কাছে বেশী আসনের জন্য দর কষাকষি করছে। তাছাড়া তাদের উপায়ও নাই। ৫-৬ টি আসন নিয়ে কাকে রেখে কাকে দিবে? দলের ভাঙ্গনের সৃষ্টি হবে। তাই বিএনপি ভিন্নভাবে তাদের দুই চারজনকে বিএনপিতে যোগদান করিয়ে টিকিট দিতে চায়। ইতিমধ্যে মীর মুগ্ধের ভাই মীর স্নিগ্ধ বিএনপিতে যোগদান করেছে। গতকাল মীর স্নিগ্ধ বগুড়া শিবগঞ্জে গণসংযোগ করেছে এবং বিএনপির ঘাঁটি বলে পরিচিত এই আসন বিএনপি ফাঁকা রেখেছে। এমনও হতে পারে এখান থেকে মীর স্নিগ্ধ নির্বাচন করতে পারে। অপরদিকে মন্ত্রী আসিফ মাহমুদ ঢাকা- ১০ আসনে তার ভোটার পার করছে। এখানেও বিএনপি এই আসন ফাঁকা রেখেছে। গুঞ্জন আছে শেষ মুহূর্তে আসিফ বিএনপিতে যোগদান করতে পারে এবং বিএনপির টিকেট নিয়ে এই আসন থেকে নির্বাচন করতে পারে। মন্ত্রী মাহফুজ আলমের জন্যও লক্ষীপুরে একটা আসন ফাঁকা রেখেছে বিএনপি। মাহফুজ আলমের বাবা অনেক আগে থেকেই বিএনপি করে এবং বিএনপির পদধারী নির্বাচিত নেতা। এইরকম আরো দুই চারজন জুলাই আন্দোলনের ছাত্রনেতা বিএনপির টিকিট নিয়ে নির্বাচন করলে অবাক হবো না। ইসলামি দলের মামুনুল হক সহ আরো দুই একজন বিএনপির টিকিট নিয়ে অথবা স্বতন্ত্র নির্বাচন করতে পারেন।.
অপরদিকে বিএনপি কোনভাবেই জামায়াতের সঙ্গে জোট করবে না। কারণ বিএনপি আওয়ামী লীগের মতো আমি ডামি হয়ে দেশ চালাতে চায় না। আওয়ামী লীগ যেমন জাতীয় পার্টিকে বিটিম বানিয়ে গৃহপালিত দল বানিয়েছিল। বিএনপি সেইরকম জামায়াতকে বিটিম বানাতে চায় না। জামায়াত সারাজীবন সরকারি দলের সুযোগে সুবিধা নিয়ে এতদূর এসেছে। তারা বিরোধী দলে যেতে চায় না। প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনের আগেই কাগুজে বাঘের মতো তাদের হম্বিতম্বি লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু নির্বাচন শেষে দেখা যায় ফলাফল সর্বোচ্চ ৩ -১৮ টি আসন। এবারও তারা বিভিন্নভাবে জরিপ করে দেখেছে যে তরা খুব ভালো করলে ০৭ - ২২ টি আসন পেতে পারে। কিন্তু তারা ঝুঁকি নিয়ে সেই পরিমাণ আসন নিয়ে বিরোধী দলে যেতে চায় না। তাই তারা কিছুদিন পিআর পিআর গীত গাইলো। এখন আবার তারা গণভোট গণভোট সুর তুলছে। এটা না হলে ওটা হবে না। হ্যান ত্যান অনেক কিছু। আসলে তারা ৪৭ এ পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছে। ৭১ এ বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছে। এখন আবার জাতীয় নির্বাচনের বিরোধিতা করে আসছে। সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসুক জামায়াত তা চায় না। আজকে সালাউদ্দিন সাহেব বলেছেন- আপনারা বাড়া ভাতে ছাই দিতে চাচ্ছেন। জনগণ তা হতে দিবে না। জামায়াত ঝুঁকি নিতে চায় না। উপরে উপরে তাদের হম্বিতম্বি লক্ষ্য করা গেলেও ভিতরে ভিতরে তাদের মধ্যে আতংক কাজ করছে যে, তাদের ভোটের সংখ্যা বাড়লেও নির্বাচিত হয়ে আসার মতো সক্ষমতা তৈরি হয়নি। তাই তারা বিএনপির সাথে বসতে চায়, আলোচনা করতে চায়। বিএনপির সাথে লিয়াঁজো করে ৩০ - ৪০ টা আসনে সমঝোতা করতে চায় এবং সরকারে মন্ত্রীত্ব চায়। এমন খবরই আজকে অনেকগুলো নিউজে এসেছে।জামায়াত জিদের ভাত কুত্তাকে দিয়ে খাওয়াতে চায়। দেশ গোল্লায় যাক। জাত যায় না মরলে আর খাসলত যায় না ধুইলে। তাই তারা স্বভাবতই দেশ বিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত। এখন দেশপ্রেমিক জনগণকে তাদের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে ফেব্রুয়ারীর প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন আদায় করে নিতে হবে। .
. .
Ajker Bogura / PS Hossain
আপনার মতামত লিখুন: