বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলায় অবস্থিত সান্তাহার ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসায় আজ ৯ ফেব্রুয়ারি, মাদ্রাসার সম্মানিত সুপারিনটেনডেন্ট ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের 'বিদায়ী সম্মাননা' অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সান্তাহার পৌর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো: জিল্লুর রহমান, ও তোফায়েল হোসেন লিটন, সান্তাহার শহীদ আহসানুল হক ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক অধ্যক্ষ এ কে এম আসাদুল হক বেলাল, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সম্মানিত সদস্য ও সান্তাহার পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মির্জা আবুল কালাম আজাদ, বশিকোড়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুল জব্বার, ধামাইল দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মাওলানা রহমাতুল্লাহসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
প্রথমে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সান্তাহার দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট মাওলানা কামরুজ্জামান। পরে অতিথিরা বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা ও বাস্তব জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
বিদায়ী বক্তব্য প্রদানকালে মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মাওলানা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও বিভিন্ন উপহার প্রদান করে সম্মান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে উপস্থিত হন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সাবেক যুবদল নেতা মোহাম্মদ ওয়াহেদুল ইসলাম। বক্তব্য প্রদানকালে তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আগে সম্মানিত সুপার মাওলানা রফিকুল ইসলাম আমার সাথে বিভিন্ন সময়ে যোগাযোগ করলেও এখন দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ যোগাযোগ রাখেন না, এই ভুমিকা যদি থাকে—আজকে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবধান হয়ে যান! ১২ তারিখের পর কিন্তু আপনাদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ সময় তিনি আরও বলেন, “আমি যা বলি, মুখের উপরই বলি।”
তার এই বক্তব্য মুহূর্তেই উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। অনেকেই এটিকে প্রকাশ্য হুমকি বলে মন্তব্য করেন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিদায়ী অনুষ্ঠানে একজন বিএনপি নেতার এমন বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।.
Ajker Bogura / ডেস্ক রিপোর্ট
আপনার মতামত লিখুন: