রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।.
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সবচেয়ে বড় অংশ ঘটেছে ভারী যানবাহনের ধাক্কায়। এ ধরনের দুর্ঘটনা হয়েছে ৬ হাজার ৩১৪টি, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। এছাড়া মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৫ হাজার ৪৯৭টি এবং মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ হাজার ৫৪৮টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।.
সড়কের ধরন বিবেচনায় আঞ্চলিক সড়কে সবচেয়ে বেশি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে—৬ হাজার ৬৮৯টি। জাতীয় মহাসড়কে ৪ হাজার ৭৭৩টি, শহরের সড়কে ২ হাজার ৬৪৬টি এবং গ্রামীণ সড়কে ১ হাজার ৯৫৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।.
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের প্রায় ৫৮ শতাংশের বয়স ১৩ থেকে ৩৫ বছর। বেপরোয়া চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা, দুর্বল আইন প্রয়োগ, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক অবকাঠামো, যানজট এবং নিরাপদ গণপরিবহনের সংকট দুর্ঘটনা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।.
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার করলে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ৪৮ শতাংশ কমানো সম্ভব। দুর্ঘটনা কমাতে কঠোরভাবে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, মানসম্মত হেলমেট বাধ্যতামূলক করা, তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো তৈরি এবং সহজলভ্য গণপরিবহন নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।.
Ajker Bogura / ডি আর/ এসএ
আপনার মতামত লিখুন: